Thursday, September 17, 2009

আমার গার্লফ্রেন্ডকে

পাখিকে আর পাখিই বলা যাচ্ছে না, শাহবাগে
তাতে ধরা খেয়ে যাব, মন্ময় বন্দুক আজ বন্ধুদের হাতে।
আমি কিভাবে বলব: পাখি! আমাদের বর্ষাও একটা পাখি
                আমি বর্ষার মামা

ছিন্নপ্রধান ঘুমের মধ্যে আমি মাঝে মাঝে বিশ বছর হয়ে শুনি-
বুড়ো পাখিটা মরবার আগে, একে-ওকে-হঠাৎ আমাকে, বললেন:
‘অহেতু মুদ্রণচর্চার ফলে একদিন পাখিবিপর্যয় দেখা দিতে পারে, তাই
                উড়তে উড়তে সমুদ্রকে মনে রেখ’

আজ আরও স্পষ্ট হলো বলিরেখা। তো
পাখিচর্চার পিরিয়ড যাচ্ছে শুনে, শাহবাগে গিয়ে দেখি
বিদগ্ধ কার্তুজ এঁকে তাক করে আছে পাখিসমিতির চোখ!
ধরে ফেললেই খবর আছে, আমি পাখিদের ছেলে

যা বলছিরাম, বর্ষাও একটা পাখি। বর্ষা বলল, বড় হয়ে ওঠার আগেই
আমি আগেকার পাখিদের মতো মাছটাচ হয়ে যাব।

কিন্তু আমার মনে হচ্ছে, একদিন মাছকেও আর মাছ বলা যাবে না
তাতেও সে ধরা পড়ে যাবে, অসূয়া-বটিরা ঠিকই চিনে ফেলবে;
আমার কিছু কবিতাও শেষপর্যন্ত হানিমুনে গিয়ে রূপচাঁদা চিতল ইলিশ হয়ে যায়।

তাই আমাকে বলে যেতে হবে তোমাকে এবং তোমাকে এবং কাউকে
পার্বত্য-ভোরের রোদে আমি পাহাড় হয়ে যেতে যেতে
                একসময় মেঘের সঙ্গেও আড্ডা দেব,
                    ভোগ করব ভয়ানক জল
হঠাৎ বলব, ‘গার্লফ্রেন্ড, একটু করুণাই করো, শাহবাগে তো খুব
                হাহাকার হচ্ছে;
আফটার অল ওখানেও আমার পাখিজীবনের মাছজীবনের রক্ত পড়ে আছে’

No comments:

Post a Comment